হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। এতে জাহাজটির ব্রিজ বা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্রুদের সবাই নিরাপদে রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত পরিবেশগত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার মাসের সংঘাতের পর দুই সপ্তাহ আগে হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক অভিযানের মধ্যেই শনিবার এ হামলার ঘটনা ঘটে।
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য উভয় দেশই একে অপরকে দায়ী করছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ‘এভার লাভলি’ নামের একটি কার্গো জাহাজে ইরানি ড্রোন হামলার জবাবে তারা ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের ড্রোন হামলার জবাবে তারা ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছে।
অন্যদিকে শনিবার ইরানও মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে। এছাড়া বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তরের দিকেও একটি ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অননুমোদিত জাহাজের উদ্দেশে সতর্কতামূলক গুলি ছুড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে অনেক জাহাজকে প্রণালি অতিক্রমের আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হচ্ছে।
টানা দুই দিনে একটি কার্গো জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর নৌপরিবহন নিরাপত্তায় নিয়োজিত জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার হুমকির মাত্রা আরও বাড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স




Comments