সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে গঠিত বেতন কমিশনের নির্ধারিত সভা গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়নি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে ওই সভা স্থগিত করা হয়।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থগিত সভার নতুন তারিখ দ্রুত নির্ধারণ করে কমিশনের সদস্যদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে প্রধান করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কমিশন–২০২৫ গঠন করে। এ বিষয়ে গত ২৭ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিশনের প্রথম সভার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
কমিশন সূত্র জানায়, নবম পে-স্কেলে বিদ্যমান গ্রেড কাঠামো নিয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে তিনটি ভিন্ন প্রস্তাবনা উঠে এসেছে।
প্রথম প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে চালু থাকা ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে কেবল যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা যেতে পারে।
দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বেতন বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করার কথা বলা হয়েছে।
তৃতীয় প্রস্তাবনায় আরও আমূল সংস্কারের মাধ্যমে গ্রেড সংখ্যা ১৪টিতে নামিয়ে আনার পক্ষে মত দিয়েছেন কয়েকজন সদস্য।
জানা গেছে, গ্রেড সংখ্যা বেশি থাকার কারণে নিম্নধাপের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য প্রকট হয়ে উঠেছে। সে কারণে গ্রেড কমিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও ন্যায্য কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে পাওয়া মতামত বর্তমানে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।




Comments