Image description

বরগুনা পৌরসভার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট শুরুর আগের রাতেই রেজাল্ট শিটে প্রার্থীর এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টরা প্রতিবাদ জানালে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট রেজাল্ট শিটটি ছিঁড়ে ফেলেন ওই কর্মকর্তা। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে বরগুনা পৌর শহরের কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নাম মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন। তিনি গুদিঘাটা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। 

বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টদের অভিযোগ, প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা তাদের জানান, অনেকগুলো কাগজে স্বাক্ষর করতে হবে। বিষয়টি স্বাভাবিক মনে করে তারা স্বাক্ষর করেন।

পরে তারা বুঝতে পারেন, যেসব কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, সেগুলো আসলে রেজাল্ট শিট। বিষয়টি প্রকাশ পেলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সঙ্গে সঙ্গে ওই রেজাল্ট শিট ছিঁড়ে ফেলেন।

এজেন্টদের দাবি, এটি নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার সুপরিকল্পিত চেষ্টা বা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অংশ হতে পারে। তারা দ্রুত অভিযুক্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তার অপসারণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

পরে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সিফাত বিন সাদেক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন বলেন, ‘আমি কাজ এগিয়ে রাখার জন্য স্বাক্ষর নিয়েছিলাম।’