Image description

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। এতে গত ৩ দিনে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ৭৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে হাজার হাজার প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা এবং ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

বিমানবন্দর সূত্র বলেছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ধাপে ধাপে এসব ফ্লাইট বাতিল শুরু হয়।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বাতিল হয় ২৩টি, রবিবার সর্বোচ্চ ৪০টি এবং সোমবার দুপুর পর্যন্ত ১১টি ফ্লাইটের যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে দেশি-বিদেশি একাধিক বড় এয়ারলাইনস। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২০টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

এ ছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইনস (সংযুক্ত আরব আমিরাত), গালফ এয়ার (বাহরাইন), ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত), এয়ার অ্যারাবিয়ার (সংযুক্ত আরব আমিরাত) একাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, শনিবার বাতিল হওয়া ২৩টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমানের ১১টি, ইউএস-বাংলার ছয়টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৩টি এবং এমিরেটস, গালফ এয়ার ও ফ্লাইদুবাইয়ের একটি করে ফ্লাইট ছিল। রবিবার বাতিল হওয়া ৪০টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমানের ৯টি, ইউএস-বাংলার ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, এমিরেটসের ৫টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, সালামএয়ার ও কুয়েত এয়ারওয়েজের দুটি করে ফ্লাইট রয়েছে।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত বাতিল হওয়া ১১টি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটসের ৫টি ও গালফ এয়ারের দুটি ফ্লাইট।

উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রবিবার বিমানবন্দর পরিদর্শনে যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, স্থগিত 

হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সোমবারের মধ্যে সবাইকে গন্তব্যে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, ঢাকার বাইরের যাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে ফ্লাইটের নতুন সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে তাঁরা পর্যাপ্ত সময় পান। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।