সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলার জগদল ও হাজারীপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজারীপুর গ্রামে বিজয় তালুকদার ও রতিন্দ্র তালুকদারের মধ্যে কয়েক দিন আগে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগও দেয়। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি।
ঘটনার দিন মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ের সরকারি গোপাট দিয়ে ধান আনা-নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিজয় তালুকদারের লোকজন রতিন্দ্র তালুকদারের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত চারজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন—মিহির তালুকদার (৪০), রন্টু তালুকদার (৩৮), সৈকত তালুকদার (২৪) এবং সাগর তালুকদার (২২)।
অন্যদিকে বিজয় তালুকদারের পক্ষের বিজিত তালুকদার দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
একই দিনে উপজেলার জগদল গ্রামে মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও সমুজ মিয়ার লোকজনের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সকালে সমুজ মিয়ার পক্ষের হালিমা বেগমের পালিত একটি হাঁস মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের পক্ষের হাক্কা মিয়ার বাড়িতে গেলে তা ধরে মারা হয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
দুপুরে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ হলে আরও অন্তত ৩০ জন আহত হন।
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, এখনো কোনো মামলা হয়নি। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




Comments