Image description

সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও চতুুমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্টস গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা ও জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই নীতির আলোকে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করবে।

পিজিআর-কে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ও পেশাদার ইউনিট হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেশের মর্যাদা রক্ষায় এই বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। তিনি বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে সাইবার হামলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও হাইব্রিড নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় পিজিআর সদস্যদের প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান জানান।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের যোগাযোগ যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা জরুরি।”

ভাষণে রাষ্ট্রপতি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি ১৯৮১ সালে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ হওয়া পিজিআর সদস্যদের এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান এবং বঙ্গভবনের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর