বাংলাদেশের বেসরকারি এভিয়েশন খাতে এক অনন্য নাম ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। দীর্ঘ ১২ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি শুধু যাত্রী পরিবহনই নয়, বরং সেবার মান ও দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণের মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ ডেলিভারি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জয় করে এভিয়েশন খাতে এক নতুন নজির স্থাপন করেছে এই সংস্থাটি।
যাত্রা শুরুর পর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটেও সফলতার সঙ্গে ডানা মেলছে। যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি নিয়মিত কার্গো পরিবহনের মাধ্যমে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি সঞ্চার করছে। এছাড়া নিয়মিত ট্যাক্স ও সারচার্জ পরিশোধ এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মরত রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এক যুগপূর্তির এই শুভক্ষণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, "প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণে সর্বদা প্রস্তুত। যাত্রীদের আরামদায়ক ও সঠিক সময়ে সেবা দিতে আধুনিক এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। আমরা ক্রমাগত আমাদের বহরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও বিমান যুক্ত করছি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অংশীদার হতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার গর্বিত।"
সাফল্যের এই ১২ বছরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), ট্রাভেল এজেন্ট, কর্পোরেট অফিস, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও আস্থার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ। আগামী দিনেও সেবার মান আরও উন্নত করে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই এয়ারলাইন্সটি শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments