Image description

আগস্টের শেষ সপ্তাহ কিংবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে জাপান সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য এ সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। দুই দেশের মধ্যে সফরের সময়সূচি, এজেন্ডা ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, আগামী ১২ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশ-জাপান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য জাপান সফর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকের পর সফরের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি আরও এগিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। ফলে শিগগিরই সেই সফরের সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে, সম্প্রতি চীন সফরের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরে আমন্ত্রণ জানাতে টোকিও বিশেষ আগ্রহ দেখিয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন ও জাপান—উভয় দেশেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ অবস্থায় জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন গতি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিরও প্রতিফলন ঘটাবে। সরকারের 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতির আলোকে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তাও এ সফরের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে আগস্ট মাসেই ঢাকা সফরে আসতে পারেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সৌদি আরব সফর এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর সম্ভব না হলে, সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সফরের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে তার একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেরও সম্ভাবনা রয়েছে।