সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ভিড় করেছেন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শোকার্ত মানুষেরা ছোট ছোট মিছিল ও সংগঠনের ব্যানার নিয়ে সেখানে সমবেত হচ্ছেন।
পরিবারের নিকটাত্মীয়দের পরে জনসাধারণের জন্য কবর দর্শন উন্মুক্ত করা হয়। এ সময় খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা কবর জিয়ারত করেন।
মিরপুর থেকে আসা কাজী আজিম রানা বলেন, ‘আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’ মিরপুর-১৪ থেকে জিএম মুজিবুর রহমানও পরিবারসহ কবর জিয়ারতে উপস্থিত হন।
জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তরের সড়কে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বাস ও মাইক্রোবাসে করে নেতাকর্মীদের সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি জানান, নেত্রীর বিদায় জানাতে আমি আগের দিন আসতে পারিনি। আজ ভোরে ঢাকায় পৌঁছে কবর জিয়ারত করেছি। আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করুন।
এদিকে দেশজুড়ে আজ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় ও শেষ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বেগম খালেদার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হবে।
৩১ ডিসেম্বর বুধবার বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের সময় তারেক রহমান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।




Comments