পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, “বিজয় আমাদের হয়ে গেছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা—ইনশাআল্লাহ।” তিনি বলেন, জনগণের পাশে থেকে তাদের নিয়েই কাজ করতে চান। সোমবার (১১ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে একটি ওরস মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক নুর বলেন, তিনি যেমন ওয়াজ মাহফিলে যান, তেমনি ওরস মাহফিলেও অংশ নেন। দেশের বৈচিত্র্যই এ ধরনের অনুষ্ঠান—এখানে বাউলসহ নানা সম্প্রদায় ও সংগঠনের উপস্থিতি রয়েছে। প্রত্যেক মানুষেরই মত প্রকাশ ও অনুষ্ঠান করার স্বাধীনতা আছে।
তিনি আরও বলেন, কারও অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া, গায়ের জোরে হামলা করা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা সমাজে নৈরাজ্য বাড়ায়। এ ধরনের আচরণ থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। তার উপস্থিতির মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় জনগণের প্রতি সংহতি ও সমবেদনা জানানো।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দশমিনা-গলাচিপা অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি আশ্বাস দেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ আক্রান্ত হলে সরাসরি তাকে জানাতে এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে কাউকে চাঁদা না দিতে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে নুর বলেন, গলাচিপা-দশমিনাকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। যেখানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ সব দলের নেতাকর্মীরা সামাজিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশ নেবেন, কুশল বিনিময় করবেন এবং রাজনৈতিক মতভেদের কারণে কোনো সহিংসতা বা জুলুম হবে না। ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই তাদের লক্ষ্য।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments