Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেষ পর্যন্ত যারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে এক হয়ে কাজ করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহাদী আমীন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা চাই পুরো দল ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করুক। যারা এটি করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সারা দেশে প্রায় দুই হাজার প্রার্থী এখন ভোটের মাঠে রয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আগেই বহিষ্কার, কড়া বার্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও অন্তত ৭৯টি আসনে বিএনপির প্রায় ৯০ জন নেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন।

মাহাদী আমীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে নির্বাচন না হওয়ায় অনেক ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতা ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি। এ কারণে দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচন হলে বিএনপির মতো বড় দলে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে বাস্তবতা হলো, প্রতিটি আসনে একজনের বেশি প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক নেতার মনে ক্ষোভ ও হতাশা থাকতেই পারে। তবুও দলীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর কেউ যদি বিদ্রোহী অবস্থানে থেকে যান, তাহলে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আলোচনার পর তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।

মানবকণ্ঠ/আরআই