আমাকে দিয়ে কোনদিন চাঁদাবাজি-দুর্নীতি সম্ভব না: হাসনাত
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “দেবিদ্বারের সাধারণ জনতা, প্রবাসী, তরুণ ও মা-বোনেরাই আমার মূল শক্তি। অনেকেই হয়তো অন্য দলের মিছিলে যাবে বা অন্য মার্কা নিয়ে স্লোগান দেবে, কিন্তু তারা জানে আমাকে দিয়ে কোনদিন চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাজি কিংবা দুর্নীতি সম্ভব না। তাই ভোট দেওয়ার সময় তারা আমাকেই বেছে নেবে।”
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে দেবিদ্বারের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “ভোট একটি ভালোবাসার বিষয়, এখানে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা জোরজবরদস্তি চলবে না। ভোটাররা এবার নিজের ভোট নিজের পছন্দে দেবেন।”
তিনি আরও বলেন, যেসব রাজনৈতিক দল ঋণখেলাপি, ব্যাংক ডাকাত ও দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনের টিকিট দিয়েছে, জনগণ ভোটের মাধ্যমেই তাদের সমুচিত জবাব দেবে।
ভিআইপি কালচার নিয়ে সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা বড় চেয়ার-ছোট চেয়ারের কৃত্রিম বলয় তৈরির রাজনীতি চাই না। নেতাকে সাধারণ মানুষের কাতারে থাকলেই রাজনীতি জনবান্ধব হয়।”
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি যেন কখনোই বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক লাভ ফেরত পাওয়ার মাধ্যম না হয়। আজ যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো না যায়, তবে সাধারণ সেবা পেতেও মানুষকে ঘুষ দিতে হবে।
নিজের গত দেড় বছরের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি বা আমার কোনো সমর্থক কারও কাছ থেকে চাঁদা নেয়নি, বাজার বা যানবাহন দখলের রাজনীতিতে জড়ায়নি। আমি রাজনীতিতে এসেছি সম্মান ও মানুষের সেবা করার আগ্রহ থেকে।”
গণসংযোগকালে তিনি ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে ভোট চেয়ে মাদক, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন তিনি ভিংলাবাড়ি, মোহনপুর ইউনিয়নের বিহারমণ্ডল, ছোটনা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও শান্তির রোডে একাধিক উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন। এছাড়া বরকামতা ইউনিয়নের বাগমারা বাজারে তার নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শহীদসহ ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments