কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, সাংবাদিক নামে কিছু কলঙ্ক আছে যাদের মানুষ বলা ঠিক হবে না।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে কুষ্টিয়া পৌর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
মুফতি আমির হামজা বলেন, আমার মনে হয় এভাবে হঠাৎ আমাদের সামনে থেকে আমাদের অভিভাবক আকস্মিক বিদায়ও নিত না। এজন্য আমরা তাদেরই দায়ী করছি যারা এই অকারেন্স ও মব তৈরি করেছে।
এ সময় তিনি একটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধির নাম উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ২০১৯ ও ২০২৩ সালের কাটছাঁট করা ভিডিও কারা ছড়িয়েছে তাদের নাম জানতে চেয়েছে। আমরা সেই নামগুলো দিয়েছি এবং শাস্তিও দাবি করেছি।
তিনি বলেন, বিরোধিতায় যারা আছে তারাই এসব তৈরি করছে। মানুষের ভেতরে ভয়-ভীতি, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য তারা পুরাতন জিনিসকে সামনে নিয়ে এসে কাটছাঁট করে সারা বাংলাদেশে আগে-পিছে একটা কথা লাগিয়ে মামলা দিচ্ছে।
আরাফাত রহমান কোকোর নাম নিয়ে মন্তব্যের বিষয়ে আমির হামজা বলেন, আমার এই কথার জন্য আমি অনেক আগেই ক্ষমা চেয়েছি এবং ভুল স্বীকার করেছি। আবার ২০২৬ সালেও ভুল স্বীকার করলাম।
আওয়ামী সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, টাকলা মুরাদ জাইমা রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে যে বিশ্রী কথা বলেছেন। তার বিরুদ্ধে তো আপনারা এই কয় বছরে একটা কথাও বললেন না। সুতরাং এগুলো যে আপনারা কেন করেছেন আমরা তা বুঝে ফেলেছি।
ঝাড়ু মিছিল প্রসঙ্গে জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, আপনারা মিছিল করবেন, আপনাদের মা-বোন নেই? আপনাদের মেয়ে নেই, স্ত্রী নেই? তাদের দিয়ে করান! লাইলা বেগমের মতো এরকম মহিলা তিনশ টাকা দিয়ে ভাড়া করা লাগবে কেন? এই মহিলা তো এখন বিপদে আছে। মহিলার খোঁজ নিয়েছি। এখন বলছে কি করতে গেলাম আমি, তিনশ টাকা নিতে গিয়ে এখন দেখছি ৩০ হাজার চলে যাবে। এ সময় আগামীতে এমন ভুল আর না করার আহ্বান জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।




Comments