Image description

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, “যারা দিল্লির সঙ্গে স্পষ্ট আঁতাত করে রাজনীতি করে, তাদের বক্তব্য বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক নয়। আমরা দিল্লির কোনো পার্টির কথা বা তাদের দোসদের কথাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।”

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা ২৫ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে সংস্কার, সুশাসন ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে নির্বাচনি পদযাত্রা শুরু করেছি। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ যে প্রেরণা জুগিয়েছেন, তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ের মাধ্যমে আমরা আবু সাঈদসহ প্রায় ১৪০০ শহীদের আত্মত্যাগের কিছুটা হলেও প্রতিদান দিতে পারব। আমাদের এই লড়াই দীর্ঘমেয়াদী।”

নির্বাচনি প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সারা দেশে ৩০০ আসনেই কর্মসূচি পালন করছে। আমাদের ৩০ জন প্রার্থীর বাইরে আরও ২৭০টি আসনে আমরা গণভোটের প্রার্থী ঘোষণা করেছি। পীরগঞ্জসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শহরে আমরা গণভোটের প্রচারণা এবং নাগরিক পার্টির প্রতীক ‘শাপলাকলি’র পক্ষে জনসভা ও পথসভা করছি।”

দিল্লির প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আগে দেখা যেত অনেকে দিল্লি থেকে মিটিং করে এসে বলতেন—কী কথা হয়েছে তা বলা যাবে না। যারা এমন গোপন আঁতাতের রাজনীতি করেন, ছাত্র-জনতা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এবং অন্তর্বর্তী সরকারসহ সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে ‘হ্যাঁ’ ভোট অনেক দূর এগিয়ে আছে।”

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সহযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারত শেষে আসিফ মাহমুদ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর