Image description

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গত বৃহস্পতিবার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে কেন্দ্রভিত্তিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ দুটি আসন ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১২-এর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় জয়ের বিপরীতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনে বড় জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মোট ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট।

অন্যদিকে, এই আসন থেকে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শোচনীয় পরাজয় বরণ করেছেন মেঘনা আলম। তিনি পেয়েছেন মাত্র ৬০৮ ভোট। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

ঢাকা-১২ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সাইফুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।

এই আসনে আমজনতা দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৪৪ ভোট। বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা (২ হাজার ৪৪৪টি) তারেক রহমানের প্রাপ্ত ভোটের দ্বিগুণেরও বেশি। অর্থাৎ বাতিল ভোটের চেয়েও কম ভোট পেয়েছেন তিনি। ফলে তিনিও জামানত হারাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) না পেলে তাঁর জামানত সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হয়। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মেঘনা আলম ও মো. তারেক রহমান উভয়ই এই কোটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর