২০২৪ সালে ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সাথে সাথে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩/এ অবস্থিত দলটির সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের শিকার হয়। প্রায় ১৯ মাস পরিত্যক্ত থাকা সেই কার্যালয়ের ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে যুব মহিলা লীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে ধানমন্ডি ৩/এ সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িটির সামনে দেখা যায়। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান সহ জাতীয় পতাকা ও শেখ মুজিবর রহমানের ছবি প্রর্দশন করে।
সংগঠনটির এক নেত্রী টেলিফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, “আজকে আমরা একটু রিস্ক নিয়েই গিয়েছি। ধানমন্ডির এই আওয়ামী লীগ অফিস আবারও মুখরিত হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ"।
২০০২ সাল থেকে ভবনটি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। দলটির গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ তে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থাকলেও মূলত এখানেই সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকতো নেতাকর্মীদের। তিন তলা এই ভবনেই দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের জন্য কক্ষ ছিল।
দ্বিতীয় তলায় ছিল দলের মুখপত্র উত্তরণের অফিস। এ ছাড়া তৃতীয় তলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম চলত।
প্রথমে ভাড়া নেওয়া হয় ভবনটি পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ভবনটি দলের নামে কিনে নেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে পাশের চার তলা দুটি ভবন কিনে দলীয় সভাপতির কার্যালয়টির সম্প্রসারণ করা হয়।
সে সময় ভবন দুটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে কেনা হয়। এই দুই ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্যরা বসতেন। এখানকার একটি কক্ষে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির স্টল ছিল।




Comments