স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতে বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে শহীদ সেনাদের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে পুরো দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছিল, পাশাপাশি সেনাবাহিনীর মনোবল ধ্বংসের উদ্দেশ্য ছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক স্বার্থ রক্ষার জন্য জনগণ প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছিল। বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা তাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৮৩ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা এখনও বিচারাধীন। মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments