Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহমুদা আলম (মিতু)-এর সম্পদের বিবরণী প্রকাশ্যে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার হলফনামা থেকে আয় ও সম্পদের এই বিস্তারিত চিত্র উঠে আসে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৩৭ বছর বয়সী এমবিবিএস চিকিৎসক এই প্রার্থীর নিজ নামে গাড়ি, বাড়ি বা জমির মতো কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। তবে তার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার রয়েছে। চিকিৎসাপেশা থেকে বছরে ৩ লাখ টাকা আয় করা ডা. মাহমুদার অর্জিত মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৭৩৫ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৩৫ টাকা। এছাড়া তার মালিকানায় ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে।

ডা. মাহমুদার স্বামী মো. মাহবুবুর রহমানও পেশায় একজন চিকিৎসক। স্ত্রীর মতো তারও কোনো স্থাবর সম্পদ বা জমি-ফ্ল্যাটের মালিকানা নেই। তবে স্বামীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬১ লাখ ৬ হাজার ২১৩ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ২৪ টাকা এবং ব্যাংকে আমানত রয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৮৯ টাকা। এছাড়া ১ লাখ ১২ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে তার স্বামীর।

গুলশানের সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. মাহমুদা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের সেবায় সক্রিয় চিকিৎসকদের একজন হিসেবে বেশ পরিচিতি পান। বর্তমানে তিনি রাজনীতির মাঠেও সরব। তিনি এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং দলের নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন এই নেত্রী। তবে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনি সমঝোতার কারণে সেবার তিনি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এবার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তার জাতীয় সংসদে প্রবেশের জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই