জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম সরাসরি দুর্নীতি না করলেও বড় ধরনের ‘নৈতিক অপরাধ’ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, "সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। ধরে নিলাম তিনি নিজে দুর্নীতি করেননি, কিন্তু তাঁর দায়িত্বপালনকালে সরকারের ঘনিষ্ঠ অনেকে দুর্নীতি ও তদবির বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এমনকি তাঁর সাবেক পিও আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছে।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নাহিদ ইসলাম তাঁর মন্ত্রণালয়ের বাইরেও বিভিন্ন দপ্তরে নিজস্ব সার্কেলের লোক বসাতে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, কেন তাঁকে উপদেষ্টা করা হয়েছিল? তাঁর শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে এনসিপি নিয়মিত অনুদান পায় কি না, তা নিয়েও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। এছাড়া বিভিন্ন 'ধনী ব্যক্তি' কর্তৃক এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই বিএনপি নেতা।
নাহিদ ইসলামের অধীনে থাকা তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংস্কার না হওয়া এবং শেখ হাসিনার আমলের আইন ব্যবহার করে টেলিভিশন লাইসেন্স দেওয়ার সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, "উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন রাজনৈতিক দল (এনসিপি) গঠন করা একটি বড় নৈতিক অপরাধ।"
তিনি আরও যোগ করেন, বিচার, সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার নিয়ে সরকারে গিয়েও তা পূরণ না করে পদত্যাগ করার মধ্য দিয়ে নাহিদ ইসলাম জনগণের কাছে তাঁর নৈতিক দায়বদ্ধতা হারিয়েছেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments