Image description

গ্রিনল্যান্ড কিনতে অথবা দখল করে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুটি যুক্তি দেখিয়েছেন তিনি-চীন ও রাশিয়ার প্রভাব এই দ্বীপে বাড়ছে এবং এতে আমেরিকার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। আর এই যুক্তিতেই ট্রাম্প ইউরোপ ও ন্যাটোর বিরুদ্ধেও গেছেন।

তবে রাশিয়া ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখান করেছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছেন, রাশিয়ার গ্রিনল্যান্ড দখলের কোনো পরিকল্পনা নেই।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তিনি বলেছেন, ‘ওয়াশিংটনও ভালোভাবে জানে যে মস্কো বা বেইজিং-এর এমন ইচ্ছা নেই।’

লাভরভ বলেন, ‘আমাদের গ্রিনল্যান্ড দখলের কোনো পরিকল্পনা নেই। এটি আমাদের বিষয় নয়। আমরা মনে করি, ওয়াশিংটন ভালোভাবে জানে যে, রাশিয়া বা চীনের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।’

তিনি গ্রিনল্যান্ড বা আইসল্যান্ডের সঙ্গে সম্ভাব্য পারস্পরিক সহযোগিতা চুক্তি সম্পর্কেও সন্দেহ উড়িয়ে দিয়েছেন।

লাভরভ আরও জানান, রাশিয়া কেবল গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপের মধ্যে নেই। তিনি মস্কোকে ওই অঞ্চলের জন্য হুমকি হিসেবে দেখানোর প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।

এর আগে ট্রাম্প খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের চেষ্টা করেছিলেন, যা ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন এবং চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের রুখতে সহায়ক হবে।

লাভরভ গ্রিনল্যান্ডের বিষয়টি ঔপনিবেশিক যুগের প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত করেছেন, এই অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী নরওয়ের এবং পরে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এর অবস্থা পরিবর্তিত হওয়ার পরও, গ্রিনল্যান্ডের অতীত ঔপনিবেশিক ইতিহাস এবং ইউরোপীয় কাঠামোর সঙ্গে সংযুক্ত সম্পর্ক আজকের আলোচনাকে প্রভাবিত করছে।