Image description

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় থাকছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন প্রার্থী ভোটের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়। বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামবেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। বেশিরভাগ প্রার্থী দলীয় হলেও শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন। তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৯৬ জন। সে হিসাবে এবার প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আদালতের নির্দেশনায় নতুন তফসিল হওয়ায় এই দুটি আসনের হিসাব আপাতত অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করলে শুনানি শেষে ৪৩১ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। সবশেষ প্রত্যাহারের পর এখন ভোটের মাঠে ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ইসি জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে রিটার্নিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করলেও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কড়া নজরদারি থাকবে।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নতুন তফসিল অনুসারে, পাবনা-১ আসনে ৭টি এবং পাবনা-২ আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। নির্ধারিত সময়ে এসব আসনের প্রার্থীরাও মূল প্রতিযোগিতায় যুক্ত হবেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই