আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাইয়ে জাতীয় সনদ বাস্তবায়নকে সামনে রেখে রাজধানীতে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ড ও র্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনের দিন যেন কোনো ত্রুটি না থাকে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ নজর রাখতে হবে। এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে। নির্বাচনের প্রতিটি পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা এবং কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম মনিটরিং ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবারের নির্বাচনে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে এবং ২৬টি দেশের পর্যবেক্ষক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে যে ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট থাকবে।
সেনাপ্রধান ও অন্যান্য বাহিনী প্রধান জানান, গত গণঅভ্যুত্থান থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের বেশিরভাগই উদ্ধার করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাহিনী পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তুত থাকবে।
ড. ইউনূস বলেন, বডি ক্যামেরা ব্যবহার সঠিকভাবে করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও সফলতা নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রতিটি সপ্তাহে ও প্রয়োজন হলে আরও সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে বৈঠক হবে, যাতে নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও আদর্শভাবে সম্পন্ন হয়।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments