১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই শুরু হবে আগামীর গণতান্ত্রিক যাত্রা: পুতুল
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, "১৭ বছর ধরে এ দেশের মানুষ ভোটের জন্য অপেক্ষা করেছে। আমরা দীর্ঘকাল ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আর রূপসা থেকে পাথুরিয়া—গোটা দেশে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নতুন এক গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হবে।"
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুতুল বলেন, "আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। দল বা ধর্মের কারণে কেউ যেন যোগ্য চাকরি থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটিই হবে আমাদের লক্ষ্য। বিএনপির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কর্মীরা একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।"
বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অন্য প্রতীকে ভোট চাওয়া ব্যক্তিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "যারা বিএনপি থেকে বের হয়ে গিয়ে এখন বেইমানি করছেন, তারা বিএনপির নাম মুখে নেওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন না। তারা মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে তাদের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা এজেন্ডা নেই।"
নারীদের অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বিএনপি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চায়। ঘরের ভেতরে থেকে যারা দেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন, সেই মা-বোনদের কাজের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আমরা দিতে চাই।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমার বাবা প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল লালপুর-বাগাতিপাড়ার যে উন্নয়নের চাকা সচল করেছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পর তা থমকে গেছে। আমি সেখান থেকেই শুরু করতে চাই। আবারো এ অঞ্চলের উন্নয়নের চাকা সচল হবে।"
পুতুল বলেন, "আমাদের নেতা তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লড়াই করছেন, সেই পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ালে এ দেশের জনগণ কাউকে ছাড় দেবে না। তথাকথিত কলঙ্কিত রাজনীতির দিন শেষ হয়ে আসছে।"
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান বাবুল চৌধুরী, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ পাপ্পু এবং প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের ছেলে ইফতেখার আরশাদ প্রতীকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments