ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তি চেয়েছে কারাকাস। অবিলম্বে তাকে মুক্ত করতে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক আবেদনও করেছে দেশটি।
এর আগে গত জানুয়ারির শুরুতে মার্কিন বাহিনীর মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে। বিষয়টিকে অবৈধ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কারাকাস।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে দেওয়া ভাষণে ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্টো প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান। বর্তমানে তারা নিউইয়র্কে বিচারাধীন অবস্থায় বন্দি আছেন।
মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের মাদকপাচার সংক্রান্ত অভিযোগগুলো অস্বীকার করে নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মাদক ও অস্ত্র পাচারকারী চক্র পরিচালনার অজুহাতে মাদুরোকে কারাকাসের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে অপহরণ করা হয় এবং বিচারের অপেক্ষায় নিউইয়র্কের একটি কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিল বলেন, গত ৩ জানুয়ারি একটি চরম সংকটময় সন্ধিক্ষণ তৈরি করেছে।’ তিনি মার্কিন বাহিনীর সেই ‘অবৈধ সামরিক অভিযানের’ নিন্দা জানান, যার ফলে ভেনেজুয়েলায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলা ও পারমাণবিক শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর প্রযুক্তিগত ও সামরিক বৈষম্য থাকা সত্ত্বেও গিল বলেন, কারাকাস সেই দেশের সঙ্গে মতপার্থক্য মেটাতে একটি কূটনৈতিক পথ বেছে নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভেনেজুয়েলা অতীতের ক্ষত স্বীকার, ক্ষমা এবং পুনর্মিলন প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।




Comments