Image description

ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১২৩০ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬শর বেশি বেসামরিক স্থাপনা। বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও যুদ্ধ নিরসনে উভয় পক্ষকে সংলাপে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উপসাগরীয় দেশগুলো। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবারও ইরানের রাজধানী তেহরানে আরেক দফা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও আমেরিকা। শোনা গেছে বিস্ফোরণের শব্দ।

ইরানি গণমাধ্যম ফারস জানায়, তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত পারান্দ শহরের ২টি স্কুলে হামলা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্কুলের কাছে বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মন্তব্য করেছেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলার লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে একটা চিরস্থায়ী বিভাজন তৈরি করা।

ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি। আমাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। তাই এর পরিণতির জন্য হামলাকারীরাই দায়ী। মনে রাখতে হবে, আমেরিকা ও ইসরায়েল পবিত্র রমজান মাসের ১০ তারিখে হামলা শুরু করে। এ মাস মুসলমানদের জন্য শান্তির মাস, তারা চিরস্থায়ী বিভেদ তৈরি করতে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে অন্য একটি মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের কাছে একটি মার্কিন এফ-ফিফটিন/ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। খোরামাবাদ শহরের ওপর দিয়ে উড়ন্ত একটি হার্মিস নাইন হান্ড্রেড ড্রোনও ধ্বংস করেছে ইরানের সেনাবাহিনী।

এদিকে, তেল আবিব ও বেন গুরিওন বিমানবন্দরে খোরামশাহর-ফোর দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান। জেরুজালেমে বারবার বাজছে সাইরেনের শব্দ।

কুয়েত, বাহরাইন, আরব আমিরাতের ২০টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করার দাবি করেছে আইআরজিসি। উপসাগরে একটি মার্কিন তেল ট্যাংকারেও হামলা হয়েছে।

এছাড়া ইরাকের এরবিলে মার্কিন সামরিক আবাসস্থলে ড্রোন হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতির দাবি তেহরানের।

ইরানের বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ডে দুটি ড্রোন হামলার অভিযোগ এনেছে আজারবাইজান। এই হামলার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান।