Image description

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা সরকারি এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা ও সেন্সরশিপের সম্মুখীন হচ্ছেন। 

এএফপির ব্যুরোপ্রধানদের এক জরিপে জানা যায়, অনেক সাংবাদিকদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এমনকি আটক করে রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে কঠোর বিধি-নিষেধ ইরান এবং ইসরায়েলে। এ ছাড়া উপসাগরীয় আরব দেশগুলোও যেমন-সৌদি আরব বা আরব আমিরাতে সংবাদ প্রচারের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

কারণ তারা ইরানের নজিরবিহীন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।

এসব দেশের সরকার চায়, কিছু ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে যেন না আসে। যেমন ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার সঠিক অবস্থান বোঝা যায়, অথবা আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত হওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে সরকারি সূত্রের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে স্বাধীনভাবে তথ্য পাওয়া এখন অত্যন্ত কঠিন।

বিশেষ করে রাজধানী তেহরানের বাইরের এলাকাগুলোতে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের সুযোগ একেবারেই সীমিত বা নেই বললেই চলে।

এএফপি বিশ্বের খুব কম আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মধ্যে একটি, যাদের তেহরানে অফিস রয়েছে। তা সত্ত্বেও তারা ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের  স্কুলে যেতে পারেনি; যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, ওই হামলায় শিশুসহ ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

ইরানে ইন্টারনেট প্রায় অচল অবস্থায় আছে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থাও খুব কঠোর। ফলে দেশটির ভেতর থেকে সাধারণ মানুষের তোলা ছবি বা ভিডিও খুব কম বাইরে আসছে। অথচ ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে পরিস্থিতি ভিন্ন রকম ছিল। সেখানে সাংবাদিকরা তুলনামূলক স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারতেন।