ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ক্রীড়া প্রতিভা এবং যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত ক্লাব চেলসির বয়সভিত্তিক দলে তার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা আলোচনার অবসান ঘটিয়েছেন তার শৈশবের কোচ এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পড়াশোনার জন্য ফুটবলের ক্যারিয়ার বেছে না নিলেও শৈশবে জাইমা যে একজন তুখোড় অ্যাথলেট ছিলেন, সেই সত্যই এখন সামনে আসছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) জাইমা রহমানের শৈশবের কোচ মোহাম্মদ হাকিম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তার অসামান্য ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, ঢাকার আইএসডিতে (ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা) পড়ার সময় থেকেই জাইমা ফুটবল, সাঁতার এবং দৌড়ে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন।
কোচ হাকিমের ভাষায়, ‘জাইমা সাঁতারে ছিলেন সেরা, আর দৌড়ে ছেলেদেরও পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতেন। তার অদম্য মানসিকতা, পরিশ্রম এবং জয়ের আকাঙ্ক্ষা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছিল।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাইমা যদি চেলসি উইমেন টিমে খেলার আমন্ত্রণ পেয়ে থাকেন, তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
এর আগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জাইমার চেলসিতে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে ফুটবল খেলার সময় জাইমার উচ্চতা এবং বিশেষ গোলকিপিং দক্ষতার কারণে চেলসির বয়সভিত্তিক দল থেকে তার খেলার সুযোগ এসেছিল।
আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান নিজেও একবার মিরপুরে একটি ম্যাচ চলাকালীন তাকে বলেছিলেন— ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’
তবে ক্রীড়াপ্রেমী হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান মেয়ের পড়াশোনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। ফলে বড় ক্লাবে ক্যারিয়ার গড়ার হাতছানি থাকলেও জাইমা রহমান ফুটবলের বদলে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগী হন এবং বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যারিস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
বর্তমানে জাইমা রহমান পেশাগত জীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক ইস্যু নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সাইবার নিরাপত্তা এবং শিশুদের জন্য খেলার মাঠ সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলোতে তিনি নিয়মিত জনমত তৈরি করছেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments