Image description

আসন্ন পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি ও একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) বেলা ১১টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় এবারের নববর্ষের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নেতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলা নববর্ষকে সার্বজনীন, সুশৃঙ্খল ও তাৎপর্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে বেশ কিছু প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবারের উৎসবকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উদযাপন করা হবে।

সভার উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তসমূহ:

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই অনুষ্ঠানের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২. ছায়ানটের উদ্যোগে রমনা বটমূলে বরাবরের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে, যা বিটিভি ও সকল বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

৩. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ সকল সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কর্মসূচি পালন করবে।

৪. রাজধানী ছাড়াও সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নববর্ষের কর্মসূচি পালন করা হবে। এসব আয়োজনে জাতীয়তাবাদ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থাকে (জাসাস) সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবান। সভায় অনলাইনে ও সরাসরি মোট ৬০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই