Image description

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, দেশের নারী সমাজকে স্বাবলম্বী ও মর্যাদাবান করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে চলমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমকে আগামী চার বছরের মধ্যে ‘ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ডে’ রূপান্তর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজের সব স্তরের পরিবারের কাছে এই সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম -এর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হবে, যা কেবল আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং একজন নাগরিক হিসেবে তাদের সম্মানজনক স্বীকৃতি দেবে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানকে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে। কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল সরকারের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। জঁ পেম বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে কার্ড ইস্যু করা সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বিশ্বব্যাংক এই কার্যক্রমের টেকসই বাস্তবায়নে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয়পক্ষ ফ্যামিলি কার্ডের আওতা বৃদ্ধি এবং এর স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই