ছুটির দিনে রাজধানী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটের দিকে রওনা হওয়া যানবাহনের চাপ ও এশিয়ান হাইওয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশে ভোর থেকেই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই যানজটে কর্মস্থলগামী মানুষ এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে হাইওয়ে পুলিশ শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. জুলহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে মহাসড়কের পৃথক দুটি স্থানে দুর্ঘটনা ঘটে এবং একই সময়ে একটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপসী থেকে কাঁচপুর সেতু এলাকা পর্যন্ত যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর প্রভাব পড়ে এশিয়ান হাইওয়েতেও, যেখানে চলাচলকারী যানবাহনগুলোও দীর্ঘ সময় আটকে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং ধীরগতি একপর্যায়ে তীব্র যানজটে রূপ নেয়। শত শত যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে আটকে থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।
ঈদের ছুটির পরও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষের চাপ ছিল উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ সময় যানবাহন স্থির থাকায় শুধু সময় নষ্টই নয়, বেড়েছে জ্বালানি ব্যয়ও- এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. জুলহাজ উদ্দিন বলেন, ‘গভীর রাতে দুর্ঘটনা ও একটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকল যান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছে।’
এদিকে, যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।




Comments