Image description

নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে যাওয়া মার্কিন বিশেষ বিশেষ বাহিনী ব্যাপক প্রতিরোধের মধ্যে পড়বে এবং প্রায় আত্মঘাতী হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। 

এ বিষয়ে লন্ডনের কিংস কলেজের ভিজিটিং লেকচারার সামি পুরি আল জাজিরাকে বলেছেন, নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা “চ্যালেঞ্জিং” হবে, কারণ সেই অভিযানগুলো ইরানের গোলাগুলির হুমকির সম্মুখীন হবে।

তিনি বলেন, “একটি নির্দিষ্ট স্তরে স্যাটেলাইট এবং অন্যান্য প্রযুক্তির পক্ষে যা করা সম্ভব, তার একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কারণ, একটি বিশাল এলাকা জুড়ে গুলি করে ভূপাতিত হওয়া এফ-১৫ই বিমানটির একজন ব্যক্তি বা একজন ক্রু সদস্যকে খোঁজা হচ্ছে, যার কিছু অংশ পাহাড়ি এবং কিছু অংশ মরুভূমি”।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ পাইলটকে সঠিকভাবে শনাক্ত করতে মার্কিন বাহিনীকে বেশ নিচু দিয়ে উড়তে হবে, যা তাদের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে।

এর অনেক কিছুর জন্যই এমন বিমানগুলোকে খুব কাছ থেকে দেখতে হবে, যেগুলোকে শত্রুপক্ষের আরও গোলাগুলির হুমকির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে এবং অবশ্যই, ইরানের জন্য, অল্প সময়ের মধ্যে তৃতীয় একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত করাটা নিঃসন্দেহে একটি অনেক বড় পুরস্কার হবে।

পুরি আরও বলেন যে, যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথের পূর্ববর্তী এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ আকাশ শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে, বিমানটি ভূপাতিত করার ঘটনাটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য “গভীরভাবে বিব্রতকর” হবে।