Image description

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে এক বিশেষ ‘রোডম্যাপ’ হাতে নিয়েছে তাঁর ক্লাব সান্তোস। ক্লাবের কোচ কুকা জানিয়েছেন, নেইমারকে বিশ্বকাপের জন্য পূর্ণ ফিটনেসে ফিরিয়ে আনতে এবং তাঁর হারানো ছন্দ পুনরুদ্ধারে টানা ১৩টি ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার বর্তমানে সান্তোসের হয়ে বেশ ভালো ছন্দে রয়েছেন। শেষ ছয় ম্যাচে তিনি ছয়টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন। তবে সম্প্রতি হাঁটুতে ‘প্লেটলেট-সমৃদ্ধ প্লাজমা’ (পিআরপি) চিকিৎসা নেওয়ার কারণে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে একটি ম্যাচ মিস করেন তিনি। কোচ কুকা এই চিকিৎসাকে নেইমারের শরীর দ্রুত সারিয়ে তোলার একটি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কোচ কুকা বলেন, “আমরা নেইমারের শক্তি, গতি এবং সহনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। সামনে আমাদের টানা ১৩টি ম্যাচ খেলতে হবে। এই ম্যাচগুলোই হবে তাঁর জন্য বড় পরীক্ষা, যা তাঁকে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের জন্য মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত করবে।”

তবে ক্লাবের হয়ে প্রস্তুতি ভালো চললেও ব্রাজিল জাতীয় দলে ফেরাটা নেইমারের জন্য খুব একটা সহজ হবে না। সেলেসাওদের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, শতভাগ ফিট না হলে নেইমারকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। বর্তমানে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি এবং এনদ্রিকের মতো তরুণ ও তুখোড় ফর্মে থাকা তারকাদের উপস্থিতি নেইমারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও কঠিন করে তুলেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গুরুতর চোটে পড়ার পর থেকে নেইমারকে আর ব্রাজিলের জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায়নি। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখছেন এই কিংবদন্তি। সেই স্বপ্ন পূরণে আসন্ন ১৩টি ম্যাচই হতে যাচ্ছে তাঁর ভাগ্য নির্ধারণী পরীক্ষা।

মানবকণ্ঠ/আরআই