জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ সহ গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’। এই বিলের মাধ্যমে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপনের সময় জানান, মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই ২০০৯ সালের মূল আইনটি পুনঃপ্রচলন করা হয়েছে।
এদিন সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনি রূপ দিতে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করা হয়। পাস হওয়া উল্লেখযোগ্য বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৬
২. স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ) সংশোধন বিল, ২০২৬
৩. বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬
৪. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬
৫. জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬
৬. পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬
৭. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬
৮. ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬
৯. মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬
এছাড়া ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন এবং শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংক্রান্ত সংশোধন বিলগুলোও পাস হয়েছে। একই অধিবেশনে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) সংক্রান্ত বিলগুলো কণ্ঠভোটে পাস হয়।
সংসদীয় সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জনস্বার্থে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনি ধারাবাহিকতায় সংসদীয় অনুমোদনের মাধ্যমে স্থায়ী আইনে রূপান্তর করতেই এই বিলগুলো পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments