বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’ প্রকাশিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছর রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ সংস্কারে বিশ্বজুড়ে গভীর প্রভাব ফেলা ব্যক্তিদের এই তালিকায় স্থান দেয় টাইম ম্যাগাজিন। ২০২৬ সালের জন্য প্রকাশিত এই তালিকায় তারেক রহমানের নাম আসার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই মুহূর্তটিকে দেশের জন্য ‘গৌরব ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, “টাইম ম্যাগাজিন এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, অসীম সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্মান জানিয়েছে।”
মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন, যখন দেশে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা অবরুদ্ধ ছিল, তখন তারেক রহমান প্রবাসে থেকেও অবিচলভাবে জনগণকে আশার আলো দেখিয়েছেন। তার নেতৃত্বেই দেশ এক কঠিন সংগ্রাম পেরিয়ে আবারও গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। বিশেষ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা আজ বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত।
স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ এক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দেশে ফেরার দিনই তারেক রহমান বলেছিলেন, “আই হ্যাভ এ প্ল্যান” (আমার একটি পরিকল্পনা আছে)। এক বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে গেছে।
টাইম ম্যাগাজিনের এই তালিকা প্রমাণ করে যে, তারেক রহমানের কাছে ক্ষমতা নয়, বরং জনগণের অধিকারই প্রকৃত শক্তি। তিনি দেশ পরিচালনাকে কেবল ক্ষমতা হিসেবে না দেখে বড় ধরনের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের নতুন ভাবমূর্তি তৈরির ক্ষেত্রেও এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments