ঘটনাবহুল এক দিনে ক্রীড়াঙ্গন চরম উত্তেজনায় ভরে উঠেছে। এম নাজমুল ইসলাম এর পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেটারদের সব ধরনের বয়কটের কারণে বিপিএল ২০২৬ এর কোনো ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। শেষ পর্যন্ত নাজমুলের পদত্যাগের পর লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের মধ্যকার ম্যাচ মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও ক্রিকেটাররা উপস্থিত হননি। টসও হয়নি। স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে থাকা দর্শক-জনতার মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়ে কিছু মানুষ স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। পাশাপাশি স্টেডিয়ামের সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিড়া হয়, স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, যাকে ক্রিকেটাররা সোচ্চারভাবে সমালোচনা করছেন, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও বিসিবি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ করা হয়েছে এবং তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তবে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এতে সন্তুষ্ট নয়। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে। নাজমুল ইস্যুতে যদি বিপিএল বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ ও সাপোর্টিং স্টাফদের পারিশ্রমিক প্রায় ৪০ কোটি টাকা বিসিবিকে ফেরত দিতে হবে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments