মঙ্গলবার বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে রংপুর রাইডার্স ১১১ রানের স্বল্প স্কোরেই শেষ পর্যন্ত সিলেট টাইটান্সের কাছে হেরে যায়। ইনিংসের মাত্র পঞ্চম বলেই ওপেনার তৌফিক খান তুষারের উইকেট হারায় রংপুর। এরপর নাহিদ রানা এক প্রান্ত থেকে দ্রুত রান তুলতে থাকেন, মোস্তাফিজুর রহমান কাটার দিয়ে বিপদ এড়ানোর চেষ্টা করেন, আর আলিস আল ইসলাম রহস্যময় স্পিনে উইকেট নেয়ার চেষ্টা চালান।
রান তাড়ার সময় ৪৪ রানে প্রথম চার উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে গেলেও স্যাম বিলিংস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ৫০ রানের জুটি সিলেটকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। শেষ ওভারে জয় পেতে সিলেটকে প্রয়োজন ছিল ৯ রানের। প্রথম বলে মঈন আলী দুই রান নেন, এরপর ডট বল এবং ফাহিম আশরাফের ডেলিভারিতে আউট হওয়ার পর খালেদ আহমেদ পঞ্চম বলে ওকসকে স্ট্রাইক দেন। শেষ বলেই এক্সট্রা কভার দিয়ে ক্রিস ওকসের দুর্দান্ত ছক্কায় সিলেট জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপ সামলাতে হয় সিলেটকে, যেখানে পারভেজ ইমন ও আরিফুল হকের ৩৫ রানের জুটি দলের ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে। তবে প্রথম স্পেলে আলিস ও নাহিদের বোলিংয়ে তিনটি উইকেট পড়ে। আলিসের টার্নিং ডেলিভারি, নাহিদের বাউন্সার এবং সোহান ও মাহমুদউল্লাহর ফিল্ডিংয়ে রংপুরের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে।
রংপুর টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় মাহমুদউল্লাহ ২৬ বলে ৩৩ এবং খুশদিল ১৯ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেললেও দলকে বড় করতে পারেননি। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ চার ওভার বল করে দুই উইকেট নেন। খালেদ আহমেদ তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং প্রদর্শন করে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্পেলে চারটি উইকেট নেন, যার কারণে রংপুরের ব্যাটিং অর্ডার ধসে পড়ে।
শেষ পর্যন্ত শেষ বলের ছক্কায় জয় নিশ্চিত করে সিলেট টাইটান্স দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ওঠে, আর রংপুর রাইডার্স টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments