Image description

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রায় দেড় মাসের ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন। গতকাল রোববার থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-তে কাজে যোগ দিয়েছেন। প্রথম দিনেই তিনি জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছেন।

রোববার দুপুরে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। তবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার প্রশ্নে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি।

তিনি বলেন, (বিশ্বকাপ না খেলা ভুল ছিল কি না) এ নিয়ে কিছু না বলি। তবে খুব চেষ্টা করেছি (বিশ্বকাপ খেলার)। দিন শেষে আমিও তো একজন ক্রিকেটার। (বিশ্বকাপ না খেলা নিয়ে তদন্ত কমিটির আলোচনা) ওটার ব্যাপারে আমার ধারণা নেই, কিছু শুনিনি। পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধান তো সরকার করতেই পারে। তাদের কথা আমরা শুনব, শুনছি। আবারও বলছি, (নাজমুল আবেদীন) ফাহিম ভাইসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জাতীয় দলের স্কোয়াড ঠিক করেছিল। আমাদের যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল, কোথায় খেলবে, না খেলবে- সবই নির্ধারিত ছিল। তবে সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতেই হবে।”

সামনের দিনগুলোতে বুলবুলের জন্য হয়তো বেশ কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। কারণ স্থবির হয়ে আছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। এটি আবার চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে তার।

এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বসতে হবে বিসিবি সভাপতির। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে বোর্ডের দুই পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক ও আমজাদ হোসেনের পদত্যাগ।

সব মিলিয়ে বাইরে থেকে একরকম সংকটময় পরিস্থিতিই মনে হচ্ছে বিসিবিতে। তবে বোর্ড সভাপতি বুলবুলের চোখে সংকটের কিছু নেই বিসিবিতে।

তিনি বলেন, আমি কোথাও কোনো সংকট দেখছি না। বোর্ড নিজস্ব নিয়মে স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় দল খেলছে আর মেয়েদের দল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামগ্রিকভাবে সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে। কোথাও কোনো সংকট নেই। এটা তো নির্বাচিত কমিটি। সাড়ে পাঁচ মাস ধরে বোর্ড চলছে। এ ধরনের প্রশ্ন আমরা আশা করি না।