Image description

ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট স্থবিরই হয়ে পড়েছিল পুরোপুরি। গত বছর অক্টোবরে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ দাবি করে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের বিরুদ্ধে একরকম বিদ্রোহই করে বসেছিল ক্লাবগুলোর বড় একটি অংশ। এ জন্য প্রথম বিভাগের ২০টির মধ্যে ১২টি ক্লাবকে নিয়ে লিগ হয়েছে। দ্বিতীয় বিভাগ লিগে ২৪টি ক্লাবের মধ্যে লিগে অংশ নিয়েছে অর্ধেক, মানে ১২টি।

বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর মান ভাঙাতে অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু কয়েকবার প্রস্তাব দিলেও আমিনুলের বোর্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও রাজি হয়নি ক্লাবগুলো। পরে লিগে অংশগ্রহণ না করলে শাস্তি হিসেবে তাদের নিচের লিগে অবনমিত করার সিদ্ধান্ত নেয় আমিনুলের বোর্ড। এনএসসি তাদের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পর বিদ্রোহী ক্লাবগুলোই এখন ‘জয়ী’।

এই জয়ের ‘পুরস্কার’ হিসেবে তাদের আর অবনমিত হতে হচ্ছে না। গতকাল প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর আমিনুলের বোর্ডের দেওয়া সেই শাস্তির সিদ্ধান্ত বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

বৈঠকের একটি সূত্র জানিয়েছে, শুধু ওই ক্লাবগুলোই নয়, এবার ঢাকা লিগের কোনো বিভাগেই অবনমন বা ওপরের লিগে ওঠার সুযোগ রাখতে চায় না বিসিবি। সিসিডিএমের এই সিদ্ধান্ত অবশ্য মানতে রাজি নয় এ বছর প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ খেলে ওপরের লিগে ওঠা চারটি ক্লাব।

তাদের রাজি করানোর চেষ্টা করে গতকাল পর্যন্ত সফল হতে পারেননি তামিম ইকবাল। সিসিডিএমের একটি সূত্র জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি এই চার ক্লাবকে রাজি না করানো যায়, তাহলে আগামী মৌসুমে ১২ ক্লাবের বদলে ১৪টি ক্লাব নিয়েও প্রিমিয়ার লিগ হতে পারে। প্রথম বিভাগেও ২০টির বদলে ২২টি ক্লাব থাকবে তেমন হলে।

এ ছাড়া ক্লাবগুলোর সঙ্গে বিসিবির বৈঠকে দ্বিতীয় বিভাগের যে ১২টি ক্লাব খেলেনি, তাদের নিয়ে আলাদা করে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে নাকি না খেলা দলগুলোই খেলোয়াড়দের কথা বিবেচনা করেই এমন প্রস্তাব দিয়েছে। প্রথম বিভাগে না খেলা ক্লাবগুলোর ক্রিকেটারদের নিয়ে আমিনুলের বোর্ড সিসিডিএম চ্যালেঞ্জ কাপ আয়োজন করেছিল।