নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের ঐতিহাসিক সুযোগ সামনে থাকলেও শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বেভন জ্যাকবসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ৬ উইকেটে জিতেছে কিউইরা।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ১৫ ওভারে নামিয়ে আনা হলে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০৩ রান। ১১.৪ ওভারেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে কিউই বোলারদের তোপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানেই অলআউট হয় টাইগাররা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। এছাড়া অধিনায়ক লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। কিউই বোলার জশ ক্লার্কসন মাত্র ৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। এই ম্যাচেই ইশ সোধি (১৬৫ উইকেট) টিম সাউদিকে টপকে কিউইদের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি উইকেট শিকারি হওয়ার রেকর্ড গড়েন।
১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। শরিফুল ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। তবে পঞ্চম উইকেটে বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফট ৭১ রানের এক ম্যাচজয়ী অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। জ্যাকবস মাত্র ৩১ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬২ রানের অপরাজিত ঝোড়ো ইনিংস খেলে কিউইদের জয় নিশ্চিত করেন।
হারলেও ম্যাচে একটি ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়েছেন লিটন দাস। উইকেটের পেছনে কিউই ব্যাটারদের ক্যাচ তালুবন্দি করে তিনি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সফলতম উইকেটরক্ষক (৬৪ ডিসমিসাল) হিসেবে মুশফিকুর রহিমকে ছাড়িয়ে গেছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশ জিতলেও দ্বিতীয়টি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments