বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে দুই দলই রক্ষণে ছিল দুর্দান্ত, ফলে ৪৫ মিনিটে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মাঝমাঠে একের পর এক শক্ত ট্যাকল, ফাউল ও উত্তেজনায় জমে ওঠে খেলা। দ্বিতীয় মিনিটেই জুদ বেলিংহ্যামকে ফাউল করেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপর মেসি, বেলিংহ্যাম, এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে কয়েক দফা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
প্রথম ১০ মিনিটেই আর্জেন্টিনা চারটি ফাউল করে, যা চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের প্রথম ১০ মিনিটে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাউলের রেকর্ড।
ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন পুরো প্রথমার্ধে লিওনেল মেসিকে কড়া নজরদারিতে রাখেন। ৩৭তম মিনিটে মেসিকে ট্যাকল করে ফাউল করলে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।
৩২তম মিনিটে জুদ বেলিংহ্যামের দারুণ দৌড়ে আদায় করা ফ্রি-কিক থেকে গোলের সুযোগ তৈরি করে ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইসের ক্রসে জন স্টোনসের হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।
অন্যদিকে ৩৯তম মিনিটে আর্জেন্টিনার সেরা সুযোগ আসে মেসির নেওয়া বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক থেকে। এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার জোরালো শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
৪২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে মর্গান রজার্সকে ফাউল করে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
প্রথমার্ধে গোল না হলেও ম্যাচে উত্তেজনার কমতি ছিল না। দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল সুসংগঠিত, তবে আক্রমণে শেষ মুহূর্তের কার্যকারিতার অভাবে গোলের দেখা মেলেনি। ফলে বিরতিতে ০-০ সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
এখন দ্বিতীয়ার্ধের একটি গোলই নির্ধারণ করে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য এবং স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট।




Comments