Image description

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বৈঠকের কয়েক দিনের মাথায় এবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সফরের মূল লক্ষ্য থাকবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন।

রবিবার ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আসন্ন এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতেই এসব চুক্তি করা হবে।

বাগদাদের জন্য এই সফরটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একদিকে তারা যেমন তেহরানের সঙ্গে নিজেদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ধরে রাখতে চায়, তেমনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কও বজায় রাখতে মরিয়া।

এর আগে, গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি। সেখানে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আর কোনো ‘যৌক্তিক কারণ’ থাকবে না।

মূলত, দীর্ঘদিনের বৈরী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক ‘সেতু’ হিসেবে কাজ করতে চাইছে ইরাক। নিজেদের এই অবস্থান কাজে লাগিয়ে তারা দুই পক্ষের মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এড়াতে জোরালো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মানবকন্ঠ/এমআর