Image description

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টে এই প্রথম ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে চর্চায় ‘ট্রাইওন্ডা’। এটি বিশ্বকাপের জন্য অ্যাডিডাসের তৈরি অফিসিয়াল বল।

তিন আয়োজক দেশকে সম্মান জানিয়ে তৈরি এই বলে রয়েছে ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। ভিএআর সিদ্ধান্তকে নির্ভুল করতে বলের স্থিতিশীলতা বাড়াবে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো এই তিন দেশের নামের সমন্বয়ে রাখা হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা’। এতে ব্যবহার করা হয়েছে তিন দেশের পতাকার রং-নীল, লাল এবং সবুজ। এই বলে উন্নত ট্র্যাকিং ডিভাইস হিসাবেও কাজ করবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে বলের ভেতরের প্রযুক্তিতে। এতে একটি অত্যাধুনিক মোশন সেন্সর চিপ বসানো হয়েছে, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বল কখন, কোথায়, কী গতিতে যাচ্ছে বা কোন খেলোয়াড় সেটিকে স্পর্শ করছে, সব তথ্যই সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে।

সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে, তবে এবার তাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। 

নতুন এই বলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটিকে চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা থাকবে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। 

বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না যে বলের ভেতরে এমন কোনও প্রযুক্তি রয়েছে। ই প্রযুক্তি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে প্রতিটি ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ দিতে পারবে। ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু একটি বল নয়, বরং এটি হবে খেলার প্রতিটি মুহূর্তকে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি স্মার্ট প্রযুক্তি।