Image description

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে। এ রায়কে  ‘প্রহসনমূলক’ ও ‘আপসমূলক’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জাবি শাখা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনগুলো দাবি করে, হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ঘোষিত শাস্তি অপরাধের তুলনায় অত্যন্ত লঘু এবং এতে প্রকৃত বিচার নিশ্চিত হয়নি। তাদের অভিযোগ, অধিকাংশ অভিযুক্তের ক্ষেত্রে সামান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, আবার কয়েকজনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাকে ক্ষুণ্ন করেছে।

জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি সংসদ এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তকে ‘বিচারিক প্রহসন’ উল্লেখ করে দাবি করেছে, জুলাই আন্দোলনের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জাবি শাখা প্রশাসনের ঘোষিত রায়কে ‘গা বাঁচানো সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে জুলাই হামলায় জড়িত সব শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ বলেছে, হামলার সময় দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংগঠনটি বিচারের নামে আপসের অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

তিন সংগঠনই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, জুলাই হামলার বিচার নিয়ে কোনো ধরনের আপস শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে তারা আন্দোলন কর্মসূচি দিবে।