Image description

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মহিষের লড়াই দেখতে হাজারো উৎসুক জনতা ভিড় করলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা পণ্ড হয়ে গেছে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর গ্রামে এই লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে প্রাণিকল্যাণ আইনের লঙ্ঘনের দায়ে শেষ মুহূর্তে লড়াইটি বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সলিমপুর গ্রামের যুব সমাজের উদ্যোগে এই লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়। লড়াইয়ের জন্য মজিবর ফকির ও সোহেল মিরা নামের দুই মহিষ মালিক তাঁদের বিশালাকার দুটি বলি মহিষ নিয়ে মাঠে হাজির হন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ সলিমপুর গ্রামে জড়ো হতে থাকেন।

তবে ‘অ্যানিম্যাল লাভারস অফ পটুয়াখালী’র কলাপাড়া শাখার সদস্যরা বিষয়টি নজরে আনলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রাণিকল্যাণ আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রাণীকে লড়াইয়ের জন্য উত্যক্ত বা প্ররোচনা দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে লড়াইটি বন্ধ ঘোষণা করেন। ফলে লড়াই দেখতে আসা হাজারো মানুষ হতাশা নিয়েই বাড়ি ফিরে যান।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদিক বলেন, “যেকোনো প্রাণীর লড়াই মূলত প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা হিসেবে গণ্য হয়, যা আইনের পরিপন্থী। তাই জনস্বার্থে ও প্রাণিকল্যাণ নিশ্চিতে লড়াইটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অমানবিক আয়োজন করা হলে আয়োজকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর