Image description

বরিশাল-৩ (মুলাদী–বাবুগঞ্জ) আসনে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, সমর্থকদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মুলাদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শনিবার সকাল ১১টায় মুলাদী উপজেলার ঈদগাহ ময়দান থেকে ‘পৌর জামায়াতে ইসলামী’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা— "ফুয়াদ ভাইয়ের কর্মীর ওপর হামলা কেন, তারেক রহমান জবাব চাই" সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুলাদী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবু সালেহ, সেক্রেটারি মাওলানা মোর্শেদ আলম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আহাদ ভূঁইয়া, পৌর জামায়াতের সভাপতি হুমায়ুন কবির এবং ছাত্রশিবির সভাপতি হামিম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

হামলায় আহত জামায়াত নেতা মো. আরিফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে মুলাদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের ‘ঈগল’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তারা। এসময় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক ও মুলাদী পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শাওন হাওলাদারের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আরিফ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের প্রচারণায় বাধা দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও জানানো হয়, এই হামলায় শফিকুল ইসলাম শাওন হাওলাদার ছাড়াও আরিফুর রহমান টিটু ও মিন্টু ব্যাপারীসহ যুবদলের প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর