টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ওই চিকিৎসকের নাম রায়হান কবির ইমন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতালের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত ওয়াশরুমে একটি গোপন ক্যামেরার অস্তিত্ব শনাক্ত করেন শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে অভিযুক্ত হিসেবে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করে পুলিশ অভিযুক্ত ইমনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের না হলেও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালের চিকিৎসক, ইন্টার্ন ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কর্মক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments