সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব: অতিরিক্ত আইজিপি
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল ও অতিরিক্ত আইজিপি তওফিক মাহবুব চৌধুরী বলেছেন, "আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের সম্পদ রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহীর চারঘাটস্থ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় ১৬৯তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতিরিক্ত আইজিপি তওফিক মাহবুব চৌধুরী নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, "একাডেমি থেকে অর্জিত আইনি জ্ঞান ও পুলিশিং কৌশল তোমাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনকে সাফল্যমন্ডিত করবে। মাঠপর্যায়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে হবে।"
৪১৮ জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণে চার মাসব্যাপী কঠোর মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে আজ এই বর্ণাঢ্য সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথি কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। এবারের কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রতন বালা।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী চারজন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- বেস্ট টিআরসি অ্যাওয়ার্ড: আবু বক্কর ছিদ্দিক, বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড: মোঃ জাহিদ হাসান, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ: মোঃ মিলন ইসলাম, বেস্ট শ্যুটার অ্যাওয়ার্ড: মোঃ মোমিনুল ইসলাম।
১৬৯তম টিআরসি (জুন-২০২৫) ব্যাচে রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মোট ৪১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সারদায় যোগদান করেছিলেন। সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষে তারা এখন বিভিন্ন ইউনিটে যোগ দেবেন। এর মধ্যে ডিএমপিতে ৭৪ জন, এপিবিএন-এ ১১১ জন, আরএমপিতে ৪৮ জন, রাজশাহী রেঞ্জে ৫২ জন, খুলনা রেঞ্জে ৬৬ জন, ঢাকা রেঞ্জে ৪৯ জনসহ অন্যান্য ইউনিটে তাদের পদায়ন করা হয়েছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments