Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) এবং পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সবগুলো ভোটকেন্দ্রকেই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দুই আসনে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে, যার ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাড়তি সর্তকতা অবলম্বন করছে প্রশাসন।

বাউফল উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬০ হাজার ৫০১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭৯ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২ জন। আসনটির মোট ১১৫টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সবগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটগ্রহণের জন্য ৬১১টি স্থায়ী এবং ৪১টি অস্থায়ী মিলে মোট ৬৫২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।

গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন (দশমিনা-৭টি, গলাচিপা-১২টি) এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৮ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন। ১২৪টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সবকটিই গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। এখানে ৬৭৯টি স্থায়ী এবং ৭৯টি অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৭৫৮টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সবগুলো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, আনসারের পাশাপাশি মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স। নির্বাচনের দিন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, দুর্গম এলাকা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এই দুই আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর