পবিত্র রমজান মাসেও গাইবান্ধা শহরে থেমে নেই অন্যায়-অপরাধ, থেমে নেই মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবন। শহরের অন্যান্য স্থানের মতো শহরের কাচারি বাজার এলাকায়ও বিভিন্ন মাদকদ্রব্য- গাঁজা, বাংলা মদ ও রেকটিফাইট স্পিরিট বিক্রি হচ্ছে। পুলিশের নিয়মিত টহল না থাকায় এসব ছোট ছোট অপরাধ বেশি হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করেন।
ইতোমধ্যেই চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এ সব অপরাধ আরও বাড়তে পারে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, গাইবান্ধা শহরের কাচারি বাজার এলাকায় একদিকে পুলিশ সুপারের বাসভবন, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, অন্যদিকে অফিসার্স ডরমেটরি, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বাসভবন, প্রেসক্লাব থাকলেও পুলিশের নিয়মিত টহল চোখে পড়ে না। এ সুযোগে এ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মাদক বিক্রেতারা ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনের পেছনে সুইপারপট্টিতে বাংলা মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অবাধে বিক্রি করছে। মাদকাসক্তরা অনেক দূর থেকে এমনকি শহরের বাইরে থেকে এসেও মাদক কিনে নিয়ে যায়। এরফলে মাদকসেবনের সাথে চুরির ঘটনাও ঘটছে।
এদিকে শনিবার রাতে দুর্বৃত্তরা গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের বৈদ্যুতিক সংযোগের বিআরবি কেবলসের তামার তার কেটে নিয়ে গেছে। গত ৪ মাস আগেও দুর্বৃত্তরা প্রেসক্লাবের বৈদ্যুতিক সংযোগের তার কেটে নিয়ে যায়।
কাচারি বাজার এলাকা তথা শহরে মাদক বিক্রি ও চুরির ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পুলিশি টহল বাড়ানো হবে, চুরির অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




Comments