Image description

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ‘ভাই হত্যা’ মামলার রহস্য উন্মোচনে দাফনের সাড়ে ৫ মাস পর কবর থেকে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর বগুলাবাজার এলাকায় এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর জসিম উদ্দিনকে গুরুতর আহত অবস্থায় তার বাড়ির পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। তখন পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেছিলেন, পুকুরের ঘাটে আঘাত লেগে তিনি পানিতে পড়ে আহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর তার মৃত্যু হলে মরদেহ দাফন করা হয়।

তবে ঘটনার কিছুদিন পর নিহতের ছোট ভাই ও অভিযুক্ত তাজুদ্দিনের স্ত্রীর স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাই জসিম উদ্দিনকে পরিকল্পিতভাবে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেছিলেন তাজুদ্দিন। পরে ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতে তাকে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এই স্বীকারোক্তির পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মামলাটি নতুন মোড় নেয়।

তদন্তের প্রয়োজনে ও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে আদালতের নির্দেশে সোমবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সীতাকুণ্ড উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জসিম উদ্দিনের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর